নিজস্ব প্রতিবেদক:
জনগণকে ধোঁকা দিতে নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে মতা প্রলম্বিত করার নীলনকশার অংশ হিসাবে সংগোপনে তড়িঘড়ি করে আইনটি প্রণয়ন ও পাস করানো হয়েছে। অবিলম্বে আইনটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা।
আজ শনিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে এই দাবি জানানো হয়।
বাম জোটের সমন্বয়ক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রেমিডিয়ায় সদস্য আবদুল্লাহ কাফি রতন, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, বাসদ (মার্কসবাদী)’র আ ক ম জহিরুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির মোশরেফা মিশু, গণসংহতি আন্দোলনের বাচ্চু ভূঁইয়া, বাসদের জুলফিকার আলি, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আবদুল আলী, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)’র বিধান দাস, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের নজরুল ইসলাম প্রমূখ।
সমাবেশে সাইফুল হক বলেন, অনুগ্রহপ্রাপ্ত ও অনুগত ব্যক্তিদের নিয়ে সার্চ কমিটি ও নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করার উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি করে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই নির্বাচন কমিশন আগামী নির্বাচনে রকিব ও হুদা কমিশনের মতো বর্তমান সরকারি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করবে তা কারো না বোঝার কথা নয়। মানুষের অধিকার হরণ করে রাষ্ট্র ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে যেন তেন ভাবে মতা টিকিয়ে রাখার এই খেলা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচন কমিশন আইনের নামে জনগণের চোখে ধুলো দেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ব্যক্তিদেরকে নিয়েই নির্বাচন কমিশন গঠনের ঘোষণা দিতে হবে। তারা বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো সুযোগ নেই। তাই সরকারকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তদারকি সরকার গঠন করতে হবে।
সমাবেশের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল পুরানা পল্টন, জিরো পয়েন্ট ও তোপখানা এলাকা প্রদণি করে।
Leave a Reply